
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তালিকাভুক্ত ৫ শীর্ষ ইয়াবাকারবারিকে দেখা গেছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের আসনে বসে ছিলেন তারা। এর একজনকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানায় পুলিশ। আত্মসমর্পণ না করে তাদের অনুষ্ঠানস্থলের সামনের সারিতে বিশেষ মেহমানদের আসনে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক ক্ষোভ দেখা যায়।
ইয়াবাকারবারির তালিকায় নাম থাকা টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বদির ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত জাফর আহমদ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সারিতে বসা ছিলেন। তার ছেলে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়াও অনুষ্ঠানের সামনের সারিতে ছিলেন।
এ ছাড়া টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মৌলভী রফিক উদ্দীন, তার ভাই বাহার ছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান লেদু। কক্সবাজারে শীর্ষ ৭৩ ইয়াবাকারবারির তালিকায় তাদের নাম আছে।
দর্শক সারিতে বসা এক ব্যক্তি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘দেশে আইন সবার জন্য সমান নয় কি? তালিকায় নাম থাকা কেউ আত্মসমর্পণ করবে আবার গডফাদার হওয়া সত্ত্বেও অনেকে আত্মসমর্পণ না করে অনুষ্ঠানে বীরদর্পে উপস্থিত হবেÑ এটি বেমানান।’ এ নিয়ে অনেকেই পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে।
পুরো অনুষ্ঠানের সুন্দরও আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তা আমাদের সময়কে বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে এমন ঘটনা ঘটার কথা ছিল না। সুত্র : আমাদের সময়

পাঠকের মতামত